নারীর ক্ষমতায়ন

0
217

অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ

শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি নারী জাগরণে অগ্রগতি


সর্বক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি এবং নারীর প্রতি বৈষম্য দূর করার জন্য নারীর ক্ষমতায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নারীর সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালা-২০১১’। নারীর ক্ষমতায়নে প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত কর্মসূচি দেশে নারীদের দৃঢ় সামাজিক অবস্থানে নিয়ে গেছে।

অর্জন

  • নরীর ক্ষমতায়ন ও নারী শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে নারী পুনর্বাসন বোর্ড ও জাতীয় মহিলা সংস্থা প্রতিষ্ঠা।
  • নারী উদ্যােক্তা উন্নয়নে ২০১১ সালে জয়িতা ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা।
  • মহিলা হোস্টেল নির্মাণ, নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণসহ অত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি।
  • নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ আইন-২০১৫ প্রণয়ন।
  • পাসপোর্টে মায়ের নাম অন্তর্ভুক্তকরন।
  • দেশব্যাপী ১২ হাজার ৯৫৬টি পল্লী মাতৃস্বাস্থ্য কেন্দ্রের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত নারীদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, মা ও শিশুর যত্নসহ যাবতীয় বিষয়ে উদ্বুদ্বকরণ ও সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণ প্রদান।
  • মাতৃত্বকালীন ছুটি ৪ মাস থেকে ৬ মাস উন্নীতকরণ এবং দরিদ্র ও গর্ভবতী মায়েদের মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান।
  • সরকারি কর্মকান্ডে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ৪০টি মন্ত্রণালয়ে জেন্ডার সেনসিটিভ বাজেট প্রদান।
  • জেলাভিত্তিক মহিলা কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এ পর্যন্ত ১৩ হাজার ৪৩২ জন শিক্ষিত বেকার নারীকে প্রশিক্ষণ প্রদান।
  • নারীর দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ পর্যন্ত প্রায় ১৯ লাখ নারীকে প্রশিক্ষণ প্রদান।
  • আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়া, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা ঋণ বিতরণ।
  • নারীর ক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রায় ১৫৪ কোটি টাকা বিনিয়োগের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থনের সুযোগ সৃষ্টি।
  • নারীর ক্ষমতায়নে আত্মকর্মসংস্থান কার্যক্রম (IGP)-এর আওতায় বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণের জন্য ট্রেড ব্যাংক তৈরি।
  • ভালনারেবল গ্রুপ ডেভেলপমেন্ট (VGD)-এর আওতায় প্রতিবছর ১০ লাখ উপকারভোগীকে ২৪ মাসের জন্য ৩০ কেজি চাল প্রদান।
  • শহরাঞ্চলে কর্মজীবী ল্যাকটেটিং ভাতার আওতায় ২০১৬-১৭ অর্থবছর থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার ৩০০ জন উপকারভোগীর মধ্য থেকে জেলা পর্যায়ে ৭১ হাজার ১৯০ জন উপকারভোগীকে মাসিক মাথাপিছু ৫০০ টাকা হারে প্রদান।
  • নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের জন্য ক্ষদ্রঋণ তহবিলের আওতায় দেশের ৪৮৮টি উপজেলায় ঘূর্ণায়মান প্রক্রিয়ায় প্রায় ১০৯ কোটি টাকা অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত মহিলাদের মাঝে বিতরণ।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

  • নারীর ক্ষমতায়নে প্রতি বছরে ১৮.২০ লাখ নারীকে প্রশিক্ষণ প্রদান।
  • সরকারি চাকরিতে নারী কর্মকর্তার হার ২০২০ সাল নাগাদ ২৫%-এ উন্নীতকরণ।
  • ২০ থেকে ২৪ বছরের নারীদের সাক্ষরতার হার শতভাগে উন্নীতকরণ।
  • ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের আওতায় ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ২৫.৭৫ কোটি টাকা ক্ষদ্রঋণ বিতরণ।
  • নগরভিত্তিক প্রান্তিক মহিলা উন্নয়ন প্রকল্প (২য় পর্যায়)-এর আওতায় ২০২০ সালের ৪৫ হাজার শহরভিত্তিক দরিদ্র, অসহায় এবং স্বল্প আয়ের নারীকে প্রশিক্ষণ প্রদান
  • পরবর্তী ৫ বছরে ২৮ হাজার ৭০ জন শিক্ষিত বেকার নারীকে প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে তাদের ক্ষমতায়নে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।
  • ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত আরও ৫৬ হাজার ১০০ জন নারীকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উন্নয়ন এবং ক্ষমতায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা।
  • গ্রামীণ নারীদের নেতৃত্ব সৃষ্টি করে স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য উদ্বুদ্ধ করা।
  • ট্রেড ব্যাংকের প্রশিক্ষণ ট্রেডসমূহের ওপর ২০১৭-১৮ অর্থবছর থেকে ৬৪টি জেলার ৪২৬টি উপজেলার নির্বাচিত নারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান।

কমেন্ট এর উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে